Home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


দৌলতপুরের বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডে তদন্তে গতি, গ্রেপ্তার নেই মূল আসামির।

মোঃ জাহিদ তানভীর আজাদ, জেলা প্রতিনিধি।
মোঃ জাহিদ তানভীর আজাদ, জেলা প্রতিনিধি।কুষ্টিয়া।

আপডেট: ১২ মে ২০২৬, ১৫:২৩

Facebook
Twitter

Article Image

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বহুল আলোচিত পীর শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমান হত্যা মামলার এক মাস পার হলেও মামলার প্রধান আসামিসহ এজাহারভুক্ত আরও তিনজনকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলার সময় দরবার থেকে লুট হওয়া মালামালও এখনো উদ্ধার হয়নি।

তবে তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে তদন্তকারীরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার প্রধান আসামি খাজা আহম্মেদ (৩৬) কুষ্টিয়া জেলা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি এবং দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য। তিনি উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে রয়েছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে পুলিশের কাছে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পৌঁছেনি।

এজাহারভুক্ত আরও দুই আসামি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ দৌলতপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ (৪৮) এবং সিহাব ওরফে সাফি (৪৫) এখনো পলাতক রয়েছেন।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল রাতে মামলার ৩ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি রাজিব মিস্ত্রি ওরফে কিলার রাজিবকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। একই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক করা হয় আলমগীর হোসেন (১৬), বিপ্লব হোসেন (২৬) ও আলিফ ইসলাম (২৩)।

পুলিশ জানায়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বিপ্লব ও আলিফ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। আটক কিশোর আলমগীরকে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) শেখ মোহাম্মদ আলী মর্তুজা বলেন, “তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে এখনো অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল দুপুরে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দৌলতপুর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামে পীর শামীম জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে দরবারে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

ঘটনার তিন দিন পর নিহতের বড় ভাই ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।

সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |

স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।