দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
৫৭৮, শিক্ষকপল্লী, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।
স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।


কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার গণেশপুর এলাকায় গড়াই নদীর তীররক্ষায় নির্মিত সরকারি বাঁধ কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। এতে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তীররক্ষা প্রকল্পটি হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে নদী ভাঙনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও অসংখ্য বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, ‘গড়াই নদী ড্রেজিং ও তীর সংরক্ষণ’ প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গণেশপুর এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
গত ৩ মে সরেজমিনে গিয়ে পাউবোর কর্মকর্তারা দেখতে পান, বাঁধের অ্যাপ্রন অংশে স্থাপিত জিও-ব্যাগ কেটে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি বাঁধের ঢাল কেটে বালু পরিবহনের জন্য অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এতে সরকারি অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চারজনকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা হলেন গণেশপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম, রাজাপুর গ্রামের জুয়েল আহমেদ, আজইল গ্রামের জহির উদ্দিন এবং ইব্রাহিম হোসেন।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দিনের পাশাপাশি রাতেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে নদী তীররক্ষা বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং বর্ষা এলেই বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
এ ঘটনায় কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শামসুর রহমান খোকসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশিদুল রহমান বলেন, নদী ভাঙন রোধে সরকারের বড় বিনিয়োগকে নষ্ট করার সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা বাঁধ কেটে বালু উত্তোলন করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খোকসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সারাদেশে নিয়ে আরও পড়ুন








