

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচায় দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ৫ যুবকের নাম উল্লেখ করে দক্ষিণ আইচা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত যুবকরা প্রথমে কৌশলে ওই নারীর সাথে সখ্যতা গড়ে
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচায় দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ৫ যুবকের নাম উল্লেখ করে দক্ষিণ আইচা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত যুবকরা প্রথমে কৌশলে ওই নারীর সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। একপর্যায়ে তারা গোপনে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিল অভিযুক্তরা। সর্বশেষ তারা ভুক্তভোগীর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। উপায়ান্তর না দেখে বাধ্য হয়ে তিনি পুরো বিষয়টি পরিবারকে জানান এবং আইনের আশ্রয় নেন।
এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত ৫ যুবক হলেন:
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থানায় মামলা দায়েরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম এবং আত্মগোপনে থাকা আসামিদের গ্রেপ্তারের আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
। একপর্যায়ে তারা গোপনে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিল অভিযুক্তরা। সর্বশেষ তারা ভুক্তভোগীর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। উপায়ান্তর না দেখে বাধ্য হয়ে তিনি পুরো বিষয়টি পরিবারকে জানান এবং আইনের আশ্রয় নেন।
এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত ৫ যুবক হলেন:
মফিজ: পিতা- আলাউদ্দিন, ৫ নং ওয়ার্ড, সবুজ আদর্শ গ্রাম।
মোহাম্মদ নুরুদ্দিন: ৫ নং ওয়ার্ড, সিকদার বাড়ি।
জাকির: পিতা- মালেক, ৫ নং ওয়ার্ড, সবুজ আদর্শ গ্রাম।
আলামিন: পিতা- বাদশা মিয়া, ৫ নং ওয়ার্ড, সবুজ আদর্শ গ্রাম।
রিয়াজ: পিতা- রফিক বেপারী, ৫ নং ওয়ার্ড, সবুজ আদর্শ গ্রাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থানায় মামলা দায়েরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম এবং আত্মগোপনে থাকা আসামিদের গ্রেপ্তারের আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
অপরাধ নিয়ে আরও পড়ুন





দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
৫৭৮, শিক্ষকপল্লী, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।
স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।