দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
৫৭৮, শিক্ষকপল্লী, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।
স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।


কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সম্ভাব্য পুশইন বা অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাতে পারে এমন আশঙ্কায় সীমান্তজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ পরিস্থিতিতে বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে রাতভর পাহারা ও নজরদারিতে অংশ নিচ্ছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারাও।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর উপজেলার প্রায় ৪৬ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার মধ্যে ভারতীয় অংশে প্রায় ১৮ কিলোমিটারজুড়ে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিজিবি বিভিন্ন বর্ডার আউটপোস্টে (বিওপি) অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করেছে এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে।
বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে দিন-রাত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি মাইকিং ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল বলেন, সীমান্ত সুরক্ষায় স্থানীয় মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবির সঙ্গে কাজ করছেন। সম্ভাব্য পুশইন প্রতিরোধে গ্রামবাসীরা পালাক্রমে টহল কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, দৌলতপুর সীমান্তে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সতর্কতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে এবং স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তে বসবাসকারী জনগণ দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের সহযোগিতায় সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার বিষয়ে কোনো ধরনের শৈথিল্যের সুযোগ নেই এবং প্রয়োজন হলে আরও জনবল মোতায়েন করা হবে।
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন



.webp&w=2048&q=75)




