দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
৫৭৮, শিক্ষকপল্লী, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।
স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
প্রতিবেদক: নতুন দৃষ্টি নিউজ ডেস্ক

চীফ রিপোর্টার আজিজুল হক
চামড়াঘাট থেকে ইটনা যেতে প্রথম যে ফেরিঘাটটি পড়ে, সেটি হচ্ছে বড়ইবাড়ি ফেরিঘাট। দীর্ঘদিন ধরে এই নৌপথটি স্থানীয় মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে হাজার হাজার মানুষ পারাপার করেন। কিন্তু বর্তমানে ঘাট দুটি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও অনিয়মের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, আগে যেখানে জনপ্রতি মাত্র ৫ টাকা ভাড়া নেওয়া হতো, সেখানে ঈদকে সামনে রেখে এখন জনপ্রতি ১০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। কোনো ধরনের সরকারি ঘোষণা বা অনুমোদন ছাড়াই এই বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
শুধু যাত্রী ভাড়াই নয়, মোটরসাইকেল পারাপারের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। আগে যেখানে একটি মোটরসাইকেল পারাপারে ২০ টাকা নেওয়া হতো, সেখানে এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, চামড়া ঘাট ও বড়ইবাড়ি ফেরিঘাট এখন যেন অনিয়ম, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করলেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি দেখার মতো যেন কোনো কর্তৃপক্ষ নেই। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে পারাপার হচ্ছেন এবং নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিষয়টি অনেকেই জানলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এ বিষয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করা হোক এবং ঘাটে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা হোক।
অপরাধ নিয়ে আরও পড়ুন








