দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
৫৭৮, শিক্ষকপল্লী, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।
স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
প্রতিবেদক: নতুন দৃষ্টি নিউজ ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক🇧🇩 শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: জীবন, সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও আদর্শের অমর দৃষ্টতভূমিকাজাতির ইতিহাসে কিছু মানুষ জন্ম নেয় যাদের অস্তিত্ব কোনো যুগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না—তারা হয়ে ওঠে সময়ের সীমানা অতিক্রম করা এক অনন্ত প্রেরণা।বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তেমনই একজন দূরদর্শী, সাহসী ও প্রজ্ঞাবান নেতা;যাঁর জীবন— দেশপ্রেম, সততা, আত্মত্যাগ এবং দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল প্রতীক।
জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
শৈশবেই তিনি ছিলেন—
পরিশ্রমী আত্মসম্মানবোধে উঁচুএবং দেশ সম্পর্কে উদারচেতা।বাংলাদেশী চরিত্রে দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা ও সততার যে বৈশিষ্ট্য তিনি বহন করেছেন, তার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল এই প্রারম্ভিক সময়েই।" সামরিক জীবনে পদার্পণমাত্র সতেরো বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর তৎকালীন কুইটা মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হন।সেখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণকালে তাঁর মধ্যে দেখা যায়—"নেতৃত্বের গুণ" দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা"জাতীয় চেতনাতাঁর মেধা, দক্ষতা ও সাহসিকতার কারণে খুব অল্প সময়েই তিনি স্বীকৃত হন একজন উৎকৃষ্ট সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে।"মহান মুক্তিযুদ্ধে অমর ভূমিকা১৯৭১ সালে দেশের সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে যে ঘোষণা দেন, তা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
"আমি মেজর জিয়াউর রহমান, স্বাধীন বাংলার পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করছি।"
এই সাহসী ঘোষণা লক্ষ মানুষের মনে জাগিয়ে তোলে আশা, বিশ্বাস এবং সংগ্রামের শক্তি।মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন কৌশলগত ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত হয় প্রচুর সফল অভিযান— ফলে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে হয়ে ওঠেন এক অপ্রতিরোধ্য সামরিক বীর।--- রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বাস্তববাদী নেতৃত্বস্বাধীনতার পর নানা রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নেন জাতিকে পুনর্গঠনের।তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক কাঠামো নতুন গতি পায়।"তাঁর প্রধান রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি ছিল:"বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা"বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ বিকাশ"গ্রাম-ভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়নদুর্নীতি ও অযোগ্যতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানবিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা" জনগণের নেতাজিয়াউর রহমান ছিলেন এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক, যিনি জনগণকে বিশ্বাস করতেন এবং জনগণের ওপর আস্থা রাখতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন> “রাষ্ট্র শুধুমাত্র নীতিমালার ওপর চলে না; রাষ্ট্র চলে জনগণ, দেশপ্রেম এবং শক্তিশালী নেতৃত্বের ওপর।” তাঁর আদর্শ ব্যাখ্যা রাজনীতি বহুদলীয় গণতন্ত্র জনগণের মতামতই রাষ্ট্রের ভিত্তি 🇧🇩 জাতীয়তা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করে সমন্বিত জাতীয় পরিচয় উন্নয়ন উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গ্রাম, কৃষক, শ্রমিক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখা মূল্যবোধ শৃঙ্খলা, সততা, দেশপ্রেম জাতীয় চরিত্র গঠনের মূলনীতি আকস্মিক মৃত্যু: জাতির বেদনা১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ডে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। কিন্তু তাঁর মৃত্যু কেবল একটি জীবনের অবসান নয়—এটি ছিল ইতিহাসে এক বেদনার মুহূর্ত যেখানে একটি জাতি হারায় তার আশা, দিকনির্দেশনা ও এক দূরদর্শী নেতৃত্ব।উপসংহার: তিনি আজও বেঁচে আছেন জিয়াউর রহমানের জীবন কোনো রাজনৈতিক অধ্যায় নয়—তিনি একটি দর্শন,একটি আদর্শ,একটি অনুপ্রেরণার নাম।বাংলাদেশ যতদিন স্বাধীন, সার্বভৌম এবং অগ্রগতির পথে—ততদিন ইতিহাসের পাতায় তিনি উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন।" তাঁর নাম উচ্চারিত হবে—" যখন আমরা বলব স্বাধীনতা," যখন আমরা বলব গণতন্ত্র, "যখন আমরা বলব দেশপ্রেম,
"যখন আমরা বলব বাংলাদেশ।
লেখক আজিজুল হক সাংবাদিক ও মামানবাধিকারর্মী
প্রচ্ছদ নিয়ে আরও পড়ুন




