

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তা এলাকায় সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এতে দীর্ঘদিন ধরে সংকুচিত হয়ে থাকা সড়কের পাশের জায়গা উন্মুক্ত হয়েছে। প্রশাসনের এ উদ্যোগে ব্যস্ত চৌরাস্তা এলাকায় যানজট কমার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় যানজট নিরসনে সড়কের পাশে অবৈধ দখল সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধ চত্বরের আশপাশে অভিযান চালানো হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তা এলাকায় বিশেষ করে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। একই সময়ে সড়কের পাশে দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা থাকায় যান চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ে। ফলে সামান্য যানবাহনের চাপেও সৃষ্টি হতো জট।
অভিযানে সড়কের পাশের দখল সরিয়ে দেওয়ায় এখন যানবাহন চলাচলের জন্য তুলনামূলক বেশি জায়গা পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলেও বাধা কমেছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, চৌরাস্তা এলাকায় যানজটের সমস্যা দীর্ঘদিনের। সড়কের পাশে দোকান বসানো ও জায়গা দখল পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছিল। উচ্ছেদের পর এখন সড়কের অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে।
অভিযানটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার দাস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহসান উল হক এবং বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলামের উপস্থিতিতে পরিচালিত হয়। এ সময় বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাব, বণিক সমিতি ও স্থানীয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, উচ্ছেদের পর দখলমুক্ত জায়গাগুলো যেন আবার কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দখলে নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
প্রশাসনের উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করে ব্যবসায়ী ও পথচারীরা বলছেন, দখলমুক্ত সড়ক যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তার যানজট অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি ব্যস্ত এলাকাটির পরিবেশও আরও সুন্দর ও চলাচলবান্ধব হবে বলে আশা করছেন তারা।
দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
৫৭৮, শিক্ষকপল্লী, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।
স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।