home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


ঝাউদিয়ায় অস্ত্র কেনার অভিযোগে দুইজন আটক, তদন্তে পুলিশ।

মোঃ জাহিদ তানভীর আজাদ, জেলা প্রতিনিধি।
মোঃ জাহিদ তানভীর আজাদ, জেলা প্রতিনিধি।কুষ্টিয়া।

আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৩:২৪

Facebook
Twitter

ঝাউদিয়ায় অস্ত্র কেনার অভিযোগে দুইজন আটক, তদন্তে পুলিশ।

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানাধীন ঝাউদিয়া ইউনিয়নের মাঝপাড়া এলাকায় অস্ত্র কেনাবেচার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানতে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আটক ও জেলহাজতে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়া এলাকার মৃত তালেব আলীর ছেলে শাজাহান (৪৪) এবং লাহিনী বটতলা সংলগ্ন জগন্নাথপুর গ্রামের আকুলের ছেলে সবুজ (৪০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাঝপাড়া এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় অস্ত্র কেনাবেচার অভিযোগে তাদের আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার অধীন ঝাউদিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করা হয়।ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ আটক দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা মাঝপাড়া এলাকার মজিদ মেম্বারের কাছ থেকে একটি বন্দুক কিনতে এসেছিলেন বলে দাবি করেন। পরে তাদের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ থেকে একটি ভাঙা বন্দুক উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, নান্দিয়ার বিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতীতেও একাধিক সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। নতুন করে অস্ত্র কেনাবেচার অভিযোগ ওঠায় এলাকায় আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা অস্ত্র কেনার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস কী—তা জানতে আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত আছে।

সারাদেশে নিয়ে আরও পড়ুন

সারাদেশে নিয়ে আরও পড়ুন



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।

সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |

স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।