দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
৫৭৮, শিক্ষকপল্লী, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।
স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
প্রতিবেদক: নতুন দৃষ্টি নিউজ ডেস্ক

নাঈম ইসলাম, জেলা প্রতিবেদক, নীলফামারী বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগে যখন বিজ্ঞান শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘ দিন ধরে নেই কোনো বিজ্ঞানের শিক্ষক। এতে করে বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা আজ একটি বড় সংকটের মুখোমুখি। আপনারা জানলে অবাক হবেন, শিক্ষক না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী এখন বাধ্য হয়ে চড়া দামে বাইরে প্রাইভেট পড়ছে, যা দরিদ্র পরিবারের জন্য প্রায় অসম্ভব। আমি কথা বলেছি এই বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে,বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো: লাবিব ইসলামসহ আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আক্ষেপ করে বলেন, "আমাদের স্কুলে বিজ্ঞানের শিক্ষক নেই। স্যার না থাকায় আমাদের নিয়মিত ক্লাস হয় না। প্র্যাকটিক্যাল তো দূরের কথা, সাধারণ বিষয়গুলো বুঝতেই আমাদের কষ্ট হচ্ছে। পরীক্ষা আসবে, তখন এই ঘাটতি তারা কীভাবে পূরণ করবে—তা নিয়ে অভিভাবকরাও দুশ্চিন্তায় আছেন। আমরা এই বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসনের/বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রশ্ন: ১. "স্যার, বালাপাড়া এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ে কতদিন ধরে বিজ্ঞানের শিক্ষক নেই, সে বিষয়ে কি আপনাদের কাছে সঠিক কোনো তথ্য আছে? ২. "দীর্ঘদিন এই পদটি খালি থাকায় শিক্ষার্থীদের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। এই শূন্য পদ পূরণের জন্য আপনারা এনটিআরসিএ (NTRCA) বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কোনো চাহিদা পাঠিয়েছেন কি না? ৩. "নতুন শিক্ষক না আসা পর্যন্ত অন্য কোনো স্কুলের শিক্ষক দিয়ে বা খণ্ডকালীন (Guest Teacher) কাউকে দিয়ে এখানে ক্লাস করানোর কোনো পরিকল্পনা আপনাদের আছে কি না? ৪. ল্যাবরেটরি ও প্র্যাকটিক্যাল: "বিজ্ঞান বিভাগের জন্য প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক ক্লাস বাধ্যতামূলক। শিক্ষক না থাকায় ল্যাবরেটরি তো অকেজো হয়ে আছে—এ বিষয়ে আপনাদের পর্যবেক্ষণ কী? ৫. আশ্বাস: "শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা দূর করতে আপনি শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে কী আশ্বাস দেবেন বা কতদিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হতে পারে? বালাপাড়া এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ে দ্রুত একজন বিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এবং বিজ্ঞানের মেধা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হতে পারে।