home icon
Login

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store


আখাউড়ায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত স্ত্রী হালিমার ঢাকায় মৃত্যু, স্বামী পলাতক, শাশুড়ি ও ননদ ঢাকা হসপিটাল থেকে উধাও!

মোহাম্মদ সেলিম, জেলা প্রতিনিধি।
মোহাম্মদ সেলিম, জেলা প্রতিনিধি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আপডেট: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২২:৪৯

Facebook
Twitter

আখাউড়ায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত স্ত্রী হালিমার ঢাকায় মৃত্যু, স্বামী পলাতক, শাশুড়ি ও ননদ ঢাকা হসপিটাল থেকে উধাও!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত স্ত্রী হালিমা আক্তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা গেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী আলী আজগর পলাতক রয়েছেন।


নিহত হালিমা আক্তার আখাউড়া পৌরসভার রাধানগর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি রেলওয়ে স্টেশনের গ্রামীণ টাওয়ারের পেছনের এলাকার মো. রফিক সরকারের মেয়ে। তাঁর স্বামী আলী আজগর আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের দুর্জয়নগর গ্রামের চরনারায়ণপুর এলাকার মো. সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। তিনি হালিমার দ্বিতীয় স্বামী।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হালিমার প্রথম স্বামী বিদেশে থাকেন। প্রথম সংসারে একটি ছেলে একটি মেয়ে, তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে।


প্রথম স্বামীর নাম মাফুজ মিয়া, পিতা, হাতেম আলী, তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে। পরবর্তী সময়ে আখাউড়া মোগড়া ইউনিয়নের দুর্জয়নগর চরনারায়ণপুর এলাকার আলী আজগরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে, পরে স্বজনদের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে হয়। আলী আজগর হালিমাকে বিয়ের আগেও একটি বিয়ে করেন, হালিমাকে বিয়ে করার পর, আলী আজগরের বড় স্ত্রী, তার সন্তানদের নিয়ে, চট্টগ্রাম তার বাপের বাড়িতে চলে যান। 


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে স্বামী আলী আজগরের সঙ্গে হালিমার ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে হালিমার তলপেটে আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।


পরে স্বজনরা তাঁকে প্রথমে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ নভেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ রুজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে হালিমা আক্তার মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকা চিকিৎসা চলাকালীন হালিমার পাশে ছিলেন, তার বড় ভাই দুলাল সরকার ও তার শাশুড়ি এবং ননদ। কিন্তু আলীমা মৃত্যুবরণ করলে, আলিমার শাশুড়ি ও ননদ পালিয়ে যায়। 


এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী আলী আজগর পলাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

অপরাধ নিয়ে আরও পড়ুন

অপরাধ নিয়ে আরও পড়ুন



অনুসরণ করুন

logologologologologo

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on

Google Play

Download on the

App Store

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।

সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |

স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।