দেশ-বিদেশের সর্বশেষ ও নির্ভুল খবর সবার আগে জানতে ভিজিট করুন নতুন দৃষ্টিতে।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
৫৭৮, শিক্ষকপল্লী, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।
স্বত্ব © নতুন দৃষ্টি ২০২৫
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
প্রতিবেদক: নতুন দৃষ্টি নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিশু নির্যাতন, অপহরণ ও হত্যার মতো হৃদয়বিদারক ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে। প্রায় প্রতিটি ঘটনাই আমাদের সমাজকে স্তব্ধ করে দেয়, তবুও আমরা খুব দ্রুতই ভুলে যাই। কিন্তু ভুলে গেলেই কি সমস্যা সমাধান হয়? বরং প্রশ্নটি আরও তীব্র হয়ে ওঠে—আমরা কি আদৌ আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেরেছি? শিশুরা একটি জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের হাসি, শিক্ষা এবং নির্ভয় জীবনই একটি সুস্থ সমাজ গঠনের ভিত্তি। কিন্তু নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক অস্থিরতা, পারিবারিক ভাঙন, মানসিক চাপ ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়ার কারণে শিশুদের নিরাপত্তা ক্রমেই হুমকির মুখে পড়ছে। একটি শিশুর জীবনে একটি ছোট আঘাতও আজীবনের মানসিক ক্ষত তৈরি করে। আর নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে প্রাণ হারালে সেই ক্ষত গোটা সমাজের উপরই চিহ্ন হয়ে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির নিশ্চয়তা। অপরাধ যে-ই করুক, কোন অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া যাবে না। তদন্ত দীর্ঘায়িত হলে অপরাধীরা উৎসাহ পায়; শাস্তি দ্রুত হলে সমাজে স্বস্তি ফিরে আসে। পরিবার, প্রতিবেশী, বিদ্যালয়—সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। সন্দেহজনক যেকোনো আচরণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া, শিশুদের সচেতন করা, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন জরুরি। শিশু সুরক্ষায় প্রযুক্তি, হটলাইন, কমিউনিটি নজরদারি—সবকিছু নিয়েই একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা—মানুষকে মানুষ হতে হবে। নৈতিকতা ফিরিয়ে আনতে হবে পরিবার ও সমাজ থেকে। শিশুর প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি না হলে কোনো আইনই যথেষ্ট নয়। একটি দেশের উন্নয়ন শুধু সড়ক-ব্রিজে মাপা যায় না; মাপা যায় তার শিশুদের হাসিতে।তাই আজ আমাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি—শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে আর কোনো আপস নয়।
অন্যান্য নিয়ে আরও পড়ুন








