৮ ডিসেম্বর ২০২৫
preview
সুতারপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

নতুন দৃষ্টি নিউজ ডেস্ক

চীফ, রিপোর্টার আজিজুল হক কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা সুতারপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের উটেছে অভিযোগের সারমর্ম স্থানীয়রা এবং ইউপি-সদস্যরা বলছেন, বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন দীর্ঘ প্রায় ১৭ মাস ধরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন না। ফলে সাধারণ মানুষ ‛সেবা’ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন — যেমন   জন্মনিবন্ধন, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, নাগরিক সনদ, ট্রেড লাইসেন্স ইত্যাদি।    অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের কাজে মাত্র ৫–৬ জন সদস্য অংশ নিচ্ছেন; বাকি সদস্যরা – এবং চেয়ারম্যান– উপস্থিত নন। ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য আদালত ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ; অফিস/দপ্তর পুরোপুরি বন্ধ। তদুপরি, ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রকল্প বরাদ্দ এবং সুযোগ–সুবিধা অনিয়মভাবে শুধুমাত্র ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে concentrated হয়েছে, অন্য ওয়ার্ডগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে এমন অভিযোগ রয়েছে।

ইজারা ও খেয়াঘাট নিয়ে অভিযোগ

২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে, পরিবারের বা দলের “পছন্দের ব্যক্তি”কে খেয়াঘাট ইজারা দেওয়া হয়েছে — তবে আইনগত টেন্ডার কমিটি গঠন না করে, টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে। এমন ইজারা দেওয়ারাপেক্ষা ইউনিয়ন সচিব (প্রশাসনিক কর্মকর্তা) এবং কয়েকজন ইউপি সদস্য তাদের স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছে — কথিতভাবে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়নি; দায়িত্বে থাকা কমিটি বা পুরো ইউপি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা বা ভোটও হয়নি। এই ইজারা নিয়ে ইউপি সদস্য ও সচিব পৃথকভাবে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রক্রিয়া যাচাইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রশাসন।   ব্যতিক্রম, প্রভাব ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া   অভিযোগকারীরা বলছেন: ইউনিয়নের কার্যক্রম প্রায় স্তব্ধ, পরিষদির অফিস এবং সেবা-সুবিধা রূপকল্প বন্ধ। এর ফলে বহু মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বেশ কয়েকজন ইউপি সদস্য, সচিব ও সাধারণ মানুষ পাপ্য ও ন্যায্য সেবা পায়নি বলে মনে করছেন। প্রশাসনিক সদস্যরা এবং সংশ্লিষ্টরা ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন; প্রাপ্ত অভিযোগ যাচাই হবে। সুতারপাড়া (করিমগঞ্জ) — চেয়ারম্যান নীরব: ১৭ মাস ধরে ইউপি অফিস বন্ধ!  ইজারা বিতর্ক: খেয়াঘাট ঘাটের টেন্ডারে অনিয়ম, অভিযোগ ইউপি সদস্যদের।নির্বিচার সেবা সংকটে, সাধারণ মানুষ ও ভোটার ক্ষুব্ধ  তদন্ত শুরু: উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমিটি গঠন, সিদ্ধান্ত শিগগিরই   বিশ্লেষণ   এই ঘটনা শুধু এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ নয় — এটি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশ্বাসের সংকট প্রকাশ করছে। পরিষদের নিয়মিত কাজকর্ম না হলে, সেবা ও প্রকল্প বরাদ্দের স্বচ্ছতা থাকলে, সাধারণ মানুষই ভোগে। উপজেলা প্রশাসন ও তদন্ত কমিটির ভূমিকা এখন গুরুত্বপূর্ণ: স্বচ্ছ ও ন্যায্য তদন্ত হলে, যেকোনো ধরনের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব।  


সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |

ফোন : 01715248243, 01577581026, ই-মেইল: notundrishti247@gmail.com