ডেক্স রিপোর্ট
মাত্র ৫ শতকের একটি পরিত্যক্ত জলাশয় আর স্বল্প পুঁজিকে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ আব্দুর রশিদ। পুকুরে ভাসমান পদ্ধতিতে কলমি শাক চাষ করে রুহিয়ায় এলাকায় আলোরণ সৃষ্টি করেছে। বিষমুক্ত এই শাক বিক্রি করে যেমন নিজের সংসারের খরচ সামলাচ্ছেন, তেমনি মেটাচ্ছেন পরিবারের পুষ্টির চাহিদাও। আব্দুর রশিদ রুহিয়া উপজেলার ১নং রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনিমহেষপুর পঞ্চায়েত পাড়া এলাকার মৃত সহির উদ্দীনের ছেলে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীপ শিখা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে রেলগেটের পশ্চিম দিকের কুজিশহর মৌজার একটি পরিত্যক্ত পুকুরে চোখ জুড়ানো সবুজ কলমি শাকের সমারোহ। সেখান থেকেই বাজারে বিক্রির জন্য শাক তুলছেন আব্দুর রশিদ। আব্দুর রশিদ জানান, চাষাবাদটিতে খরচ হয়েছে একেবারেই সামান্য। মাত্র আড়াই কেজি বীজ কেনা আর অল্প কিছু সার প্রয়োগ ছাড়া তেমন কোনো বাড়তি ব্যয় করতে হয়নি। সব মিলিয়ে তার মোট খরচ হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা। তিনি আরও জানান, পরিবারের চাহিদা মেটানোর পরও ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার টাকার শাক বাজারে বিক্রি করেছেন। বর্তমানে জলাশয়ে শাকের যে পরিমাণ মজুদ আছে, তা বিক্রি করে আরও অন্তত ১০ হাজার টাকা আয় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে এবং কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত হওয়ায় আব্দুর রশিদের উৎপাদিত এই কলমি শাকের চাহিদাও বাজারে স্থানীয়দের মাঝে বেশ চড়া।এ বিষয়ে রুহিয়া উপজেলা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল আলম বলেন, কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে এ ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আমরা নিয়মিত সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে থাকি। তাদের উৎসাহিত করতে আমরা সচেষ্ট আছি, যেন তারা আরও এগিয়ে এসে সমাজের মূল ধারায় নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারেন।

সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
ফোন : 01715248243 (Whatsapp), ই-মেইল: notundrishti247@gmail.com