মোঃ জাহিদ তানভীর আজাদ, জেলা প্রতিনিধি।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর তীরবর্তী বন্যাকবলিত তিন ইউনিয়নের সাড়ে ৬ হাজার মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ফিলিপনগর, চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধসামগ্রী নিয়ে মোট ১০টি পয়েন্টে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসব পয়েন্টে স্থানীয় বন্যার্তদের হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক, সহকারী সেক্রেটারি রবিন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাহবুব মাজহার, দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বেলাল উদ্দিন, নায়েবে আমির আরজ উল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল এবং ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী খাজা উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতারা।
এ সময় জামায়াতের নেতারা বন্যাকবলিত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পানিবন্দি পরিবারগুলোর খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সমস্যার কথা শোনেন তারা। সংকটকালীন সময়ে বন্যার্তদের পাশে থাকারও আশ্বাস দেওয়া হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, দৌলতপুর উপজেলার দুটি ইউনিয়নের অন্তত ৪০টি গ্রামের প্রায় ৮০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অনেকের বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে রয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে পদ্মা নদীর পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানির উচ্চতা কমলেও পুরোপুরি দুর্ভোগ কাটেনি। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকার কারণে পানি ও পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও করছেন স্থানীয়রা।
বন্যার্তদের মতে, পানি কমার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, নিরাপদ পানি ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
ফোন : 01715248243 (Whatsapp), ই-মেইল: notundrishti247@gmail.com