আব্দুল বাছির সা'দী
দ্য টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) এবং ইসরায়েলের মোসাদ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির অবস্থান শনাক্ত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তিনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
গোয়েন্দা সূত্রগুলোর দাবি, ওই হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন এবং গত ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে তিনি টেলিফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি তেহরান অথবা কোম শহরের কাছাকাছি কোনো কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক নজরদারির মাধ্যমে খুব কম তথ্য পাওয়া যাওয়ায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন সাইবার গোয়েন্দা তৎপরতার পরিবর্তে মানব গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের ওপর বেশি নির্ভর করছে।
মোসাদের সাবেক কর্মকর্তাদের মতে, মুজতবা খামেনি নাকি একাধিক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে হাতে লেখা বার্তা আদান-প্রদান করেন। ফলে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে অনুপ্রবেশ করাই তাঁর অবস্থান কিংবা তিনি আদৌ জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত করার একমাত্র বাস্তবসম্মত উপায় বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে কিছু গোয়েন্দা কর্মকর্তা সন্দেহ করছেন যে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হয়তো তাঁর মৃত্যুর খবর গোপন করে রেখেছে। আবার অন্যদের ধারণা, তাঁর চলাফেরা গোপন রাখার জন্য দেহসদৃশ ব্যক্তিদেরও ব্যবহার করা হতে পারে।
—সূত্র: দ্য টাইমস
সম্পাদক: মোঃ আহসান উল্লাহ | প্রকাশক: মোঃ আতাউর রহমান রুবেল |
ফোন : 01715248243 (Whatsapp), ই-মেইল: notundrishti247@gmail.com