শিরোনাম :
প্রতারণা, বিশ্বাসঘাতকতা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কিরাটন ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেফতার রানীশংকৈলে পৌর যুবদলের নির্বাচনী প্রস্তুতি: উঠান বৈঠকে তৃণমূলের সাড়া কুলিয়ারচরের রাজনীতিতে নেমে এলো শোকের ছায়া বিএনপি সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল মিল্লাত আর নেই আজ পবিত্র শবে মেরাজ মুসলিম উম্মাহর তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাত” জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬: কঠোর আচরণবিধিতে শৃঙ্খলার বার্তা কুষ্টিয়া–৩ আসনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দাঁড়িপাল্লা প্রার্থীকে ঘিরে বিতর্ক জোট রাজনীতিতে ভিন্ন সুর: আজ বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় কোস্ট গার্ডের বিরুদ্ধে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ : বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল সীতাকুণ্ডে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু  ৩৪ বছরের শিক্ষকতা শেষে ‘গুরুজন’ লেখা গাড়িতে বিদায় নিলেন প্রধান শিক্ষক

পীর সাহেব চরমোনাই: ইসলামী ঐক্যের অভিভাবকের কান্না

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

গত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মজলিসে শুরা মিটিংয়ে মুহতারাম আমীর পীর সাহেব চরমোনাই দীর্ঘ আলোচনা করেন। আলোচনার একপর্যায়ে তিনি বলেন, “আমি ইসলাম, দেশ ও মানবতার স্বার্থে তাদেরকে বিশ্বাস করেছিলাম।” এরপর তিনি চুপ হয়ে যান, এবং তার দুচোখ বেয়ে অশ্রু ঝরে। মুহতারাম আমীরের কান্না বাকীদেরও আবেগপ্রবণ করে তোলে।

ইতিহাস নির্মম। যারা বীজ বোনে, ফসল কাটে অন্যরা। আর যারা নিঃস্বার্থভাবে উম্মাহর ঐক্যের স্বপ্ন দেখে, তাদের চোখে শেষ পর্যন্ত অশ্রু নেমে আসে।

পীর সাহেব চরমোনাই ছিলেন সাধারণ রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি ছিলেন ৮ দলীয় ইসলামী জোটের রূপকার, ঐক্যের স্থপতি এবং বিশ্বাসের সেতুবন্ধন। নিজের দল নয়—পুরো ইসলামী রাজনীতিকেই সামনে রেখে তিনি এগিয়েছিলেন। কিন্তু গত কয়েক মাসে তাকে পরিকল্পিতভাবে উপেক্ষিত করা হয়েছে।

মূল ঘটনাসমূহ:

বৈঠকের সময় নিয়ে টালবাহানা

সিদ্ধান্তের টেবিলে উপেক্ষা

নামমাত্র কয়েকটি আসন—তাও ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘাতে জড়ানো

মিডিয়ায় পরিকল্পিত অপপ্রচার

এনসিপি ও কয়েকটি দলের সাথে গোপন আঁতাত

বিএনপির সঙ্গে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের ঘোষণা

ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকের খবরের প্রকাশ

সবচেয়ে গুরুতর বিষয়টি হলো—একটি ইসলামী দলের হাতেই বারবার ইসলামবিরোধী কার্যক্রমের দাগ জমতে থাকল। ক্ষমতার লোভ নীতি গ্রাস করলে, একচ্ছত্র আধিপত্য শুরার স্থান দখল করলে, ইসলামের নাম ব্যবহার করেও ইসলামকে আঘাত করা হয়।

পীর সাহেব এসব সহ্য করেছেন। চুপ থেকেছেন। নিজে অপমানিত হলেও, ঐক্যের স্বার্থে ধৈর্য রেখেছেন। কিন্তু এক সময় আসে যখন একজন আলেম, একজন দরদি নেতা আর শক্ত থাকতে পারেন না। তিনি কাঁদলেন।

এই কান্না দুর্বলতার নয়; এটি ছিল বিশ্বাসভঙ্গের, ইসলামী রাজনীতির নৈতিক পতনের, একজন অভিভাবকের কান্না—যিনি দেখছেন তার সন্তানদের মধ্যে কেউ কেউ ক্ষমতার মোহে পথ হারাচ্ছে।

আজ অনেকেই চুপ। কিন্তু ইতিহাস চুপ থাকবে না। ইতিহাস মনে রাখবে—যখন একচ্ছত্র আধিপত্য ইসলামী ঐক্য ভেঙে দিচ্ছিল, তখন পীর সাহেব চরমোনাই ক্ষমতার নয়, নীতির পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন।

—মুফতি শামছুদ দোহা আশ্রাফি, ফেসবুক মন্তব্য

 

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Notun Drishti
Site Customized By NewsTech.Com